ব্লগিং করে টাকা আয় ২০২৪। ব্লগিং ওয়েবসাইট
ব্লগিং করে টাকা আয় ২০২২। ব্লগিং ওয়েবসাইট ব্লগিং করে টাকা আয় করার উপায় ২০২১। অনলাইনে ইনকাম – ব্লগারে ব্লগিং করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে এড প্রকাশ করে টাকা উপার্জন করা যায়। ব্লগিং করে টাকা আয় করার উপ
ব্লগিং করে টাকা আয় ২০২২। ব্লগিং ওয়েবসাইট ব্লগিং করে টাকা আয় করার উপায় ২০২১। অনলাইনে ইনকাম – ব্লগারে ব্লগিং করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে এড প্রকাশ করে টাকা উপার্জন করা যায়।
ব্লগিং করে টাকা আয় করার উপায়
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। ব্লগিং করে টাকা আয় করুন ২০২২ এ সম্পর্কে পোস্ট লিখতে কথা না বাড়িয়ে মূল কথায় ফিরে যাবো। আজকে আমার আলোচনার বিষয় হলো “ব্লগিং করে টাকা আয় ২০২২“ নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক। যারা ব্লগিং শব্দটার সাথে নতুন তারা হয়তো জানেন না ব্লগিং করতে যেকোনো একটি ব্লগিং সাইটে কিভাবে একাউন্ট করতে হয়। Blogger; এ ব্লগিং করার জন্য এখানে প্রথমে একাউন্ট করতে হবে। So, এ নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনা হবে। আজকের মূল বিষয় নিয়ে কথা শুরু করি।ব্লগিং করে টাকা আয়
অনেকেই এই টপিক নিয়ে লেখালেখি করেন। অনেক ব্লগেই বা ওয়েবসাইটে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। আমিও তাই করবো কিন্তু এই কন্টেন্টে আমি এমন কিছু পয়েন্ট তুলে ধরবো যা আপনাদের ব্লগিং এর প্রতি অনেক আগ্রহি করবে এবং ইনকামের পথ দেখিয়ে দিবে। So, ব্লগিং করে টাকা উপার্জনের জন্য জনপ্রিয় কিছু উপায় হলো:- নিজের ব্লগে এড প্রকাশ করে
- নিজের পণ্য বিক্রি করে আয়
- মার্কেটিং অ্যাফেলিয়েট করে আয় ইত্যাদি।
ব্লগে এড প্রকাশের মাধ্যমে উপার্জন
১। ব্লগিং করে টাকা আয় করার জন্য ব্লগের কন্টেন্ট এর ধরনের প্রতি নজর রাখা
অনেকেই মনে করেন গুগল এডসেন্সে এপ্রুভাল পাউয়ার জন্য ব্লগের থিম, ট্রাফিক, ব্লগ ডোমেইন, পেইজ এগুলোর গুরত্বই কন্টেন্ট এর থেকে বেশি।
কিন্তু, আমি এই পয়েন্টটা প্রথমে না দিয়ে পরেও দিতে পারতাম। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না ব্লগিং করার জন্য অন্যতম প্রধান উপাদান হলো আপনার ব্লগের আর্টিকেলের কোয়ালিটি। আপনার ব্লগে আর্টিকেলের কোয়ালিটি বা ধরন যতো উন্নত হবে আপনার ব্লগে এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার সম্ভাবনাও ততো বেড়ে যাবে। ব্লগের ধরন উন্নত করার জন্য অবশ্যই কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন:- ব্লগের লেখার ভাষা যেন কঠিন না হয়। সহজ-সরল ও সাবলীল ভাষায় আপনার আর্টিকেল লেখবেন। তাহলে ভিসিটরস আপনার আর্টিকেলটি পড়ে মজা পাবে।
- তথ্যবহুল লেখা লেখবেন। ভিসিটরসরা আপনার ব্লগে শুধু শুুুধু ভিসিট করবে না। আপনার ব্লগে ভিসিট করে ভালো তথ্য না ভিসিটরস কমে যাবে।
- ব্লগের থিম সাদাসিধা রাখতে হবে। এতে ভিসিটরস বিরক্ত হবে না।
২। ব্লগিং করে টাকা আয় করার জন্য অন্য এড নেটওয়ার্ক যুক্ত না থাকা
গুগল এডসেন্সে এপ্লাই করার পূর্বে অন্য কোনো এড নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে কখনই গুগল এডসেন্সে এপ্রুভাল পাবেন না। So, এডসেন্সে এপ্লাই করার আগে অন্য কোনো এড নেটওয়ার্কে ব্লগ যুক্ত করবেন না।৩। কন্টেন্টে কপি পেস্ট পরিহার
গুগল এডসেন্সে এপ্রুভাল না পাউয়ার সবচেয়ে সবচেয়ে বড় বাঁধা হলো কন্টেন্টে কপি পেস্ট থাকা। আমরা অনেকেই অন্য কারো ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে কিছু লেখা কপি করে আমাদের ব্লগ পোস্টে পেস্ট করতে চাই। এটা ভুলেই করবেন না। কারণ আপনার ব্লগ পোস্টে একটা সিঙ্গেল লাইনও অন্য ওয়েবসাইট থেকে কপি পেস্ট করা থাকলে গুগল তা ধরতে পারে। So, আজ থেকে আমরা সবাই মাসে যদি ৩-৪ টা কন্টেন্ট ও নিজে থেকে লিখতে পারি তাও ভালো। তবুও ব্লগিং করে টাকা আয় করার ইচ্ছা থাকলে কপি পেস্ট করা থেকে দূরে থাকবো।৪। কপিরাইট ইমেইজ এর ব্যাবহার পরিহার
কপিরাইট কন্টেন্ট যেমন গুগলের কাছে মূল্যহীন, তেমনই কপিরাইট ছবি ব্যাবহরও গুগলের কাছে মূল্যহীন। এতে আপনার নিজের কন্টেন্টের নিজস্বতা চলে যায়। ফলে গুগল এডসেন্সে এপ্রুভাল পেয়ে – ব্লগিং করে টাকা আয় অসম্ভব হয়ে উঠে। So, যথাসম্ভব নিজের তোলা ছবি বা নিজের তৈরিকৃত ছবি ব্লগের আর্টিকেলে ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। কিছু কপিরাইট ফ্রি ওয়েবসাইট আছে। যেখানে কোটি কোটি ছবি আপনাকে যেকোনো যায়গায় ব্যাবহারের অনুমতি দিবে। তার মধ্যে জনপ্রিয় একটি সাইট হলো – Pixabey৫। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেইজ যুক্ত করা
ব্লগে এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার জন্য অবশ্যই অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেইজ যুক্ত করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ পেইজগুলো হলো:- About Me
- Contact us
- Privacy and Policy
- Disclaimer
এই ৫ টা পেইজ অবশ্যই রাখবেন। পেইজগুলো থাকলে ব্লগ দেখতে প্রোফেশনাল লাগে। আরও কিছু পেইজ যুক্ত করতে পারেন।
যেমন: Terms and Conditions, Sitemap ইত্যাদি।But, উপরে উল্লেখিত ৪ টা পেইজ অবশ্যই যুুুক্ত করবেন। অন্যথায় গুগল আপনাকে সনাক্ত করতে পারবে না।
✪ ব্লগে About Me পেইজ অবশ্যই যুক্ত করতে হবে। কেননা এই পেইজের মাধ্যমে ভিসিটরসরা, গুগলের Annalisers রা সহজেই আপনার পরিচয় পেয়ে যাবে।
এই পেইজে আপনার ছবি যুক্ত করে আপনার সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও আপনার এই ব্লগের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করবেন। ফলে এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়া সহজ হয়ে যাবে।✪ ব্লগে Contact Me পেইজ রাখবেন। এতে ভিসিটরসরা সহজেই আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে। ফলে এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
✪ ব্লগে Privacy Police পেইজ রাখুন। কেননা আপনার ব্লগের নীতিমালা, বিধিনিষেধ আপনাকেই ঠিক করতে হবে।
আর এই Privacy Policy পেইজ এর মাধ্যমে ব্লগের নীতিমালা, কমেন্টের সীমাবদ্ধতা বর্ণনা করবেন। যাতে করে কোনো পদক্ষেপ গ্রহনের ক্ষেত্রে এই Privacy Policy পেইজ দলিল হিসেবে থাকে। সময় স্বল্পতা থাকলে এই ৩ টা পেইজ ভালোভাবে যুক্ত করলেই যথেষ্ট।
[বি.দ্র.: আমি উপরোক্ত উল্লেখিত ✪ চিহৃিত পয়েন্ট ৩ টায় ৩ টি পেইজে ৩ টি লিংক যুক্ত করেছি যা আমার ব্লগেরই ৩ টা পেইজের লিংক।
এই ৩ টা পেইজের লিংকে ক্লিক করে পেইজ লেখা নিয়ে ধারণা নিতে পারেন।]
৬। পোস্ট সংখ্যা বৃদ্ধি করুন, ব্লগিং করে টাকা আয় করুন
অনেক ব্লগাররা (যারা জানেন না) ব্লগারে; একাউন্ট খোলার পরেই Google Adsense এ এপ্লাই করে থাকেন। কিন্তু আপনাদের আমি অনুুুরোধ করবো আগেই এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার জন্য ব্যাস্ত না হয়ে পোস্টের প্রতি নজর রাখুন। আপনার ব্লগে যতো বেশি পোস্ট থাকবে (তথ্যবহুল হতে হবে) এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার সম্ভাবনা ততো বেড়ে যাবে। আমি আপনাদের পরামর্শ দিবো ১৮ – ১৯ টা বা ২০ টা ভালো আর্টিকেল লিখার পর এপ্লাই করুন। খুব সহজেই এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। আমি আমার ব্লগে মাত্র ১৭ টি কন্টেন্ট লিখেই গুগল এডসেন্সের এপ্রুভাল পেয়েছি। But, ব্লগে বেশি পোস্ট থাকলেই হবে না। পোস্টগুলো যথেষ্ট তথ্যবহুল হতে হবে। তবেই এপ্লাই করার পর খুব শীঘ্রই এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন।৭। SEO FRIENDLY পোস্ট করুন ব্লগিং করে টাকা আয় করুন
পোস্ট অবশ্যই SEO (Search Engine Optimized) Friendly হতে হবে। অনেকেই SEO শব্দটার সাথে পরিচিত নন। এ ব্যাপারে আজ বিস্তারিত বলবো না, অন্য একটি পোস্টে SEO নিয়ে বলবো। তাও খুব সংক্ষেপে বলি কিছু কথা। (ব্লগিং করে টাকা আয়) SEO FRIENDLY আর্টিকেল বলতে মূলত সেই সকল আর্টিলেলকেই বুঝায়, যেগুলো গুগল এর মতো সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলের তালিকায় প্রথমদিকে চলে আসে। আপনাত কন্টেন্ট SEO FRIENDLY কন্টেন্ট হলে গুগল এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়া খুব সহজ হয়ে যাবে। চলুন খুব সংক্ষেপে SEO FRIENDLY আর্টিকেল লেখার কিছু নিয়ম জেনে নেই। SEO FRIENDLY আর্টিকেল লেখাত নিয়ম –- কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কিওয়ার্ড নির্বাচন করা।
- আর্টিকেল ৪০০ শব্দের বেশি হউয়া।
- ছবিতে Alt Text যুক্ত করা।
- আর্টিকেলে ব্যাকলিংক যুক্ত করা।
- শিরোনাম যথাসাধ্য Major Heading (h3) এ রাখা ইত্যাদি।